মুসলিম উম্মাহর জন্য বিজ্ঞাপনমুক্ত মডার্ন ইসলামিক এপ্লিকেশন উপহার দিতে আমাদের সাহায্য করুন। আপনার এই দান সদাকায়ে জারিয়া হিসেবে আমল নামায় যুক্ত হবে ইন শা আল্লাহ।
আসসালামু আলাইকুম,
এই ওয়েবসাইটটি নিয়মিত চালু রাখতে প্রতি মাসেই সার্ভার ও টেকনিক্যাল খরচ বহন করতে হয়। দুঃখজনকভাবে বর্তমানে এই খরচ বহন করার মতো পর্যাপ্ত ফান্ড আমাদের নেই।
🌿 আপনার একটি দান হতে পারে অসংখ্য মানুষের হিদায়াতের মাধ্যম
Hadith.one–এ প্রতিটি হাদিস পড়া, শেখা ও শেয়ার করার মাধ্যমে আপনি হতে পারেন সদকাহ জারিয়াহর অংশীদার।
🤲 আল্লাহর রাস্তায় আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতার মাধ্যমে এই দাওয়াহ প্ল্যাটফর্মটি চালু রাখতে সাহায্য করুন।
🔗 আজই দান করুন এবং এই খিদমতের সাথে যুক্ত থাকুন
জাযাকাল্লাহু খাইরান,
আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন।
আল্লাহ তাআলা চাইলে সব মানুষকে ধনী বানিয়ে দিতে পারতেন। কিন্তু তিনি তা করেননি । আসলে বিত্তশালীরা, বিত্তহীনদের সাথে কেমন আচরণ করে আল্লাহ তাআলা তা দেখতে চান। চলমান সময়ে মুসলমানদের অধিকাংশই আল্লাহর কোনো বিধানই যথাযথভাবে পালন করছে না। মুসলিম সমাজ যদি জাকাত, সদকা সম্বন্ধে আল্লাহর নির্দেশ যথাযথভাবে পালন করত; তবে বিশ্ব মুসলিম আজকের মত দারিদ্র্যের জাঁতাকলে পিষ্ট হতো না। মুসলমানদের সকল কাজে মৌলিক একটি উদ্দেশ্য থাকে, আর তাহলো আল্লাহর রেজামন্দি বা সন্তুষ্টি। যে কোনো দাতা দানের প্রাক্কালে যদি আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় কাজটি সম্পাদন করেন তাহলে এতে তার অফুরন্ত সাওয়াবও হবে এবং সম্পদও বৃদ্ধি পাবে ।
صَدَقَةٌ ‘সাদাকাতুন’ একটি আরবি শব্দ, বাংলা অর্থ হলো: দান করা। আর এ দান প্রধানত: দুই প্রকার, এক, ওয়াজিব যা অপরিহার্য ও বাধ্যতামূলক । যেমন (ক) নিসাবের মালিক তথা শরিয়ত নির্ধারিত নির্দিষ্ট পরিমাণ মালের মালিক হলে প্রতি বছর নির্ধারিত হারে অর্থের জাকাত দেওয়া ও জমিনে উৎপন্ন শস্যাদির ওশর প্রদান করা। (২) সামর্থ্য থাকলে প্রতি বছর কোরবানি করা।
আর এ শ্রেণীর দানগুলো সাধারণত: একটা নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যেই সম্পন্ন করতে হয়। যথা জমাকৃত বা সঞ্চিত অর্থের উপর যখন এক বছর পূর্ণ হবে তখন তাতে জাকাত ফরজ হবে এবং তা থেকে নির্ধারিত হারে জাকাত দিতে হবে। উৎপাদিত শস্যাদি মাড়াই শেষে যখন ঘরে উঠবে, তখন তা থেকে ওশর আদায় করতে হবে। উল্লেখ্য, শস্যাদির ক্ষেত্রে বছর পূর্ণ হওয়া পূর্ব শর্ত নয়। তাই এ ওশর প্রদান একই বছরে একাধিকবারও হতে পারে। যেমন ইরিধানের মৌসুম শেষে যদি আমন ধানও নিসাব পরিমাণ হয়, তবে তা থেকেও একই বছরে পুনরায় ওশর দেয়া অপরিহার্য। এ ক্ষেত্রে ইরিধানের ওশর দেয়া হয়েছে বলে আমনের ওশর দেয়া থেকে বিরত থাকা চলবে না। অন্যথায় ওশর অনাদায়ের আজাব ভোগ করতে হবে। লক্ষণীয় যে এ জাতীয় বাধ্যতামূলক দান, সকলের জন্য সমভাবে প্রযোজ্য নয়। বরং কেবলমাত্র বিত্তশালী বা সামর্থবান ও ধনীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
(৩) রমজানের রোজার ফিৎরা প্রদান করা (৪) নজর বা মানত পূর্ণ করা।
তিন ও চার নম্বর দানও বাধ্যতামূলক। তবে এ জাতীয় দান কেবলমাত্র ধনী নয় বরং ধনী গরিব নির্বিশেষে সকলের জন্য সমভাবে প্রযোজ্য। এ ছাড়া এ শ্রেণীর দান তথা ফিৎরা আদায় ও মানত পূর্ণ করা দানগুলোও পূর্বোক্ত দানের ন্যায় একটা নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে প্রদান করা আব্যশক অর্থাৎ সর্বোচ্চ ঈদুল ফিতরের নামাজের পূর্বেই ফিৎরা আদায় করা এবং কৃত মানতের সময় সীমার মধ্যেই তা পূর্ণ করা জরুরি। অন্যথায় তা যথাযথভাবে আদায় বলে গণ্যে হবে না। তাই সংশ্লিষ্ট সকলকে এ ব্যাপারে সর্বাত্মক সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
দুই, নফল যা ইচ্ছাধীন। আর এই দ্বিতীয় প্রকারের দান অর্থাৎ নফল বা সাধারণ দানসমূহ নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে আল্লাহর রাস্তায় ব্যয় করা যেমন: মসজিদ, মাদরাসা নির্মাণ করা, গরিব, এতিম, কাঙ্গাল, ভিক্ষুক ও ফকির-মিসকিনদের মাঝে সাধ্যমত দান করা, আত্মীয়, অনাত্মীয়, মুসাফির এবং বিপদ ও ঋণগ্রস্ত কে সাহায্য করা ইত্যাদি। আর এ জাতীয় দান অধিকাংশ ক্ষেত্রে পূর্বোক্ত দানের ন্যায় সময়ের সাথে সম্পৃক্ত নয়। স্থান, কাল ও পাত্রভেদে কম বেশী এবং দানের প্রকৃতিও পরিবর্তন হতে পারে। মোট কথা অবস্থা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া । এ ছাড়া দিবারাত্রির যে কোনো সময় ও যে কোনো স্থানে, গোপনে ও প্রকাশ্যে দান করার সুযোগ রয়েছে। সুতরাং দাতা তার ইচ্ছা ও সামর্থ্য অনুযায়ী যে কোনো সময় নেক পথে দান করে উপকৃত হতে পারেন।
সেই সাথে এ কথা সকলকেই সবর্দা স্মরণ রাখতে হবে যে, সর্ব প্রকার দানই কেবলমাত্র আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে হতে হবে, অন্য কোনো উদ্দেশে নয়। অন্যথায় সব দানই বিফলে যাবে এবং তার জন্য মহা বিপদের সম্মুখীন হতে হবে। তখন শত আফসোস করেও কোনো লাভ হবে না। স্মরণযোগ্য যে, বৈধ উপার্জন থেকে নেক নিয়তে প্রদত্ত সকল প্রকার দান খয়রাতই নি:সন্দেহে আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জনের অন্যতম মাধ্যম। তাই দান খয়রাতের বিপরীত চিন্তা চেতনা ও ধ্যান ধারণা থেকে নিজেকে মুক্ত রাখার জন্য আপ্রাণ চেস্টা করা প্রতিটি দ্বীনদার ও সচেতন মুসলমানের পবিত্র দায়িত্ব ও কর্তব্য।
সোশ্যাল মিডিয়ায় হাদিস শেয়ার করুন
Or Copy Link
https://hadith.one/bn/book/105/2
রিডিং সেটিংস
Bangla
English
Bangla
Indonesian
Urdu
System
System
Dark
Green
Teal
Purple
Brown
Sepia
আরবি ফন্ট নির্বাচন
Kfgq Hafs
Kfgq Hafs
Qalam
Scheherazade
Kaleel
Madani
Khayma
অনুবাদ ফন্ট নির্বাচন
Kalpurush
Kalpurush
Rajdip
Bensen
Ekushe
Alinur Nakkhatra
Dhakaiya
Saboj Charulota
Niladri Nur
22
17
সাধারণ সেটিংস
আরবি দেখান
অনুবাদ দেখান
রেফারেন্স দেখান
হাদিস পাশাপাশি দেখান
এই সদাকা জারিয়ায় অংশীদার হোন
মুসলিম উম্মাহর জন্য বিজ্ঞাপনমুক্ত মডার্ন ইসলামিক এপ্লিকেশন উপহার দিতে আমাদের সাহায্য করুন। আপনার এই দান সদাকায়ে জারিয়া হিসেবে আমল নামায় যুক্ত হবে ইন শা আল্লাহ।