মুসলিম উম্মাহর জন্য বিজ্ঞাপনমুক্ত মডার্ন ইসলামিক এপ্লিকেশন উপহার দিতে আমাদের সাহায্য করুন। আপনার এই দান সদাকায়ে জারিয়া হিসেবে আমল নামায় যুক্ত হবে ইন শা আল্লাহ।
আসসালামু আলাইকুম,
এই ওয়েবসাইটটি নিয়মিত চালু রাখতে প্রতি মাসেই সার্ভার ও টেকনিক্যাল খরচ বহন করতে হয়। দুঃখজনকভাবে বর্তমানে এই খরচ বহন করার মতো পর্যাপ্ত ফান্ড আমাদের নেই।
🌿 আপনার একটি দান হতে পারে অসংখ্য মানুষের হিদায়াতের মাধ্যম
Hadith.one–এ প্রতিটি হাদিস পড়া, শেখা ও শেয়ার করার মাধ্যমে আপনি হতে পারেন সদকাহ জারিয়াহর অংশীদার।
🤲 আল্লাহর রাস্তায় আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতার মাধ্যমে এই দাওয়াহ প্ল্যাটফর্মটি চালু রাখতে সাহায্য করুন।
🔗 আজই দান করুন এবং এই খিদমতের সাথে যুক্ত থাকুন
জাযাকাল্লাহু খাইরান,
আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন।
“যে ব্যক্তি আমার দিক এক বিঘাত অগ্রসর হয় আমি তার দিকে এক হাত অগ্রসর হই” হাদীসটি বিষয়ে আলোচনা।
সোশ্যাল মিডিয়ায় হাদিস শেয়ার করুন
Or Copy Link
https://hadith.one/bn/book/606/63
প্রশ্ন: সাইয়্যেদ আলোভী আল-মালেকী এবং মাহমুদ আমীন আন-নাবাবীর সম্পদনায় রচিত রিয়াদুস সালেহীন কিতাবে আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত একটি হাদীসে কুদসী পড়েছি, যাতে আল্লাহর দৌড়ে আসার কথা রয়েছে। হাদীসটি এই যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর পক্ষ থেকে বর্ণনা দিয়ে বলেন, আল্লাহ তা‘আলা বলেন, إِذَا تَقَرَّبَ الْعَبْدُ إِلَيَّ شِبْرًا تَقَرَّبْتُ إِلَيْهِ ذِرَاعًا وَإِذَا تَقَرَّبَ مِنِّي ذِرَاعًا تَقَرَّبْتُ مِنْهُ بَاعًا وَإِذَا أَتَانِي مَشْيًا أَتَيْتُهُ هَرْوَلَة “যখন কোন ব্যক্তি আমার দিক এক বিঘাত অগ্রসর হয় আমি তার দিক এক হাত অগ্রসর হই আর যখন কোন বান্দা আমার প্রতি এক বাহু পরিমাণ অগ্রসর হয় আমি তার প্রতি বাহু পরিমাণ অগ্রসর হই যখন কোন ব্যক্তি আমার দিক পায়ে হেটে অগ্রসর হয় আমি তার দিকে দৌড়ে অগ্রসর হই।” [সহীহ বুখারী হাদীস নং ৭৫৩৬]
উভয় সম্পাদনকারী তাদের সম্পাদনায় লিখেছেন- এটি একটি দৃষ্টান্ত অধ্যায়ের এবং বিষয়টিকে অধিক স্পষ্ট করার জন্য আধ্যাতিক বিষয়কে বস্তুবাদ দ্বারা চিত্রায়ন করা হয়েছে। অর্থাৎ, যে ব্যক্তি কোন নেক আমল করল তা যতই কম হোক না কেন আল্লাহ তা‘আলা তার সাওয়াবকে বহুগুণে বাড়িয়ে দেবেন এবং তার প্রতি অধিক অনুগ্রহ করবেন। অন্যথায় অকাট্য ও সু-স্পষ্ট প্রমাণাদি এ বিষয়ে বিদ্যমান যে, এখানে আল্লাহর কাছে আসা, হেটে আসা এবং দৌড়ে আসা বলতে কিছু নেই। কারণ, এ গুলো সবই হলো মাখলুকের গুন যা ক্ষণস্থায়ী। আর আল্লাহ তা‘আলা ক্ষণস্থায়ী মাখলুকের গুনে গুনান্বিত হওয়া থেকে পবিত্র ও উর্ধ্বে। এখানে যেহেতু অকাট্য ও সু-স্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে যে আল্লাহর হাঁটা বা দৌড় বলতে কিছু নেই, তাহলে আল্লাহর হাঁটা ও দৌড়া সম্পর্কে তারা উভয়জন যা বলেছেন তা কি আল্লাহর সিফাতকে প্রমাণ করার ক্ষেত্রে এবং সিফাতগুলো বর্ণনা যেভাবে এসেছে সে ভাবে বহাল রাখা সম্পর্কে সালাফদের মতের সাথে তাদের কথার মিল রয়েছে? আশা করি বিষয়টি স্পষ্ট করলে কৃতজ্ঞ হবো।
উত্তর: আলহামদু লিল্লাহ! সমস্ত প্রসংশা আল্লাহর জন্যই। সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তার সাহাবীদের ওপর এবং হিদায়াতের অনুসারীদের ওপর। অতঃপর: নি:সন্দেহে বলা যায় যে, প্রশ্ন উল্লিখিত হাদীসটি বিশুদ্ধ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
“আমি আমার প্রতি আমার বান্দার ধারণার কাছাকাছি থাকি। যখন সে আমার যিকির করে আমি তার সাথেই থাকি। যখন সে আমাকে স্বীয় অন্তরে স্মরণ করে আমি স্বীয় অন্তরে তার স্মরণ করি। যখন সে কোন জামাতের মধ্যে আমার স্মরণ করে আমিও তার চেয়ে উত্তম জামাতে তার স্মরণ করি। আর যখন কোন ব্যক্তি আমার দিক এক বিঘাত অগ্রসর হয় আমি তার দিক এক হাত অগ্রসর হই আর যখন কোন বান্দা আমার প্রতি এক হাত পরিমাণ অগ্রসর হয় আমি তার প্রতি বাহু পরিমাণ অগ্রসর হই। যখন কোন ব্যক্তি আমার দিক পায়ে হেটে অগ্রসর হয় আমি তার দিকে দৌড়ে অগ্রসর হই।” [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৬৯৮১]
এ বিশুদ্ধ হাদীসটি আল্লাহর অপার অনুগ্রহ ও মহত্বের প্রমাণ। আল্লাহ তা‘আলা তার বান্দাদের প্রতি কতনা কল্যাণকামী ও হিতাকাঙ্খি, তা এ হাদীস দ্বারা স্পষ্ট। বান্দার আমল করা এবং নেক আমলের প্রতি দ্রুত অগ্রসর হওয়া থেকেও আল্লাহর রহমত, দয়া ও অনুগ্রহ বহুগুণে অগ্রসরমান।
সালাফদের মত অনুযায়ী হাদীসটি বাহ্যিক অর্থের ওপর প্রয়োগ করার ক্ষেত্রে কোন প্রকার বাধা-বিপত্তি নেই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীগণ রাসূলের মুখ থেকে হাদীসটি শুনেছেন। তারা সর্বত্তোম উম্মত এবং উম্মতের কর্ণধার হওয়া সত্বেও হাদীসটি শোনার পর কোন প্রশ্ন বা আপত্তি করেননি এবং কোন ব্যাখ্যা করেননি। তারা আরবী ভাষা সম্পর্কে সর্বাধিক অভিজ্ঞ। আল্লাহর জন্য যা প্রযোজ্য এবং যা প্রযোজ্য নয় এ সম্পর্কে সমগ্র মানুষের তুলনায় তারাই সর্বাধিক জ্ঞাত। সুতরাং, ওয়াজিব হলো যেভাবে বর্ণিত সেভাবে কবুল করা এবং উত্তম ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা। এ ধরনের সিফাত আল্লাহর ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রযোজ্য। তবে তাতে তিনি তার সৃষ্টি বা মাখলুকের সদৃশ নয়। ফলে আল্লাহর নিকটে আসা একজন বান্দা অপর বান্দার নিকটে আসার মতো নয়। আল্লাহর হাঁটা বান্দার হাঁটার মতো নয় এবং আল্লাহর দৌড়ে আসা বান্দার দৌড়ে আসার মতো নয়। অনুরূপভাবে আল্লাহর ক্ষুব্ধ হওয়া, সন্তুষ্ট হওয়া, কিয়ামত দিবসে আল্লাহর আগমন, বান্দার মাঝে বিচার ফায়সালা করান জন্য কিয়ামতের দিন আল্লাহর উপস্থিত হওয়া, প্রতি রাতের শেষাংশে আল্লাহর দুনিয়ার আকাশে অবতরণ এবং আল্লাহর আরশের উপর উঠা ইত্যাদি। এ গুলো সবই আল্লাহর সিফাত যা তার শানের সাথে প্রযোজ্য। কোন মাখলুকের সাথে এর কোন সদৃশ নেই।
সুতরাং যেমনিভাবে আল্লাহর আরশের উপর উঠা, শেষ রাতের এক তৃতীয়াংশে দুনিয়য়ার আকাশে অবতরণ করা, কিয়ামতের দিন আগমন করা মাখলুকের উঠা, আসা, অবতরণ করার সাথে সদৃশ নয় অনুরূপভাবে তার ইবাদত কারী আবেদ বান্দা এবং তার আনুগত্যের প্রতি দ্রুত অগ্রসর হওয়া বান্দাদের নিকট হওয়া এবং তাদের কাছে হওয়া বান্দার কাছে হওয়ার সদৃশ নয়। আল্লাহর কাছে হওয়া বান্দাদের একে অপরের কাছে হওয়ার মতো নয়, আল্লাহর হেঁটে আসা তার বান্দাদের হেঁটে আসার মতো নয় এবং তার দৌড়ে আসা তার বান্দাদের দৌড় আসার মতো নয়। বরং এটি এমন একটি বিষয় যা আল্লাহর শানের সাথে প্রযোজ্য। আল্লাহর অন্যান্য সিফাতের মতো এ ক্ষেত্রেও কোন মাখলুক তার সাথে সদৃশ নয়। আর তিনি তার সিফাত সম্পর্কে সর্বাধিক জ্ঞাত এবং তার ধরণ-প্রকৃতি সম্পর্কে অধিক অভিজ্ঞ।
পূর্বসূরীগণ এ ব্যাপারে একমত যে, আল্লাহর সিফাত ও নাম সম্পর্কে আমাদের ওপর ওয়াজিব হলো, যেভাবে বর্ণনা এসেছে তার ওপর বহাল রাখা এবং তার শাব্দিক অর্থকে বিশ্বাস করা যে, তা অবশ্যই সত্য যা কেবল আল্লাহর শানের সাথে খাস। যেমনিভাবে তার সত্বা সম্পর্কে আল্লাহ ছাড়া আর কেউ জানে না অনুরূপভাবে তার সিফাতসমূহের ধরণ প্রকৃতি সম্পর্কেও তিনি ছাড়া আর কেউ জানে না। যেমনিভাবে কামিল ও পরিপূর্ণ সত্বাকে আল্লাহর জন্য সাব্যস্ত করা ওয়াজিব অনুরূপভাবে আল্লাহর সিফাতসমূহ পরিপূর্ণ ও উন্নত এ কথা বিশ্বাস করে এবং এর প্রতি ঈমান রেখে আল্লাহর জন্য তার সিফাতসমূহ সাব্যস্ত করাও ওয়াজিব। আর আল্লাহর সিফাত মাখলুকের সিফাতের মতো নয়। যেমন আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ﴿قُلۡ هُوَ ٱللَّهُ أَحَدٌ ١ ٱللَّهُ ٱلصَّمَدُ ٢ لَمۡ يَلِدۡ وَلَمۡ يُولَدۡ ٣ وَلَمۡ يَكُن لَّهُۥ كُفُوًا أَحَدُۢ ٤ ﴾ [ الاخلاص : ١، ٤ ] “বল, তিনিই আল্লাহ, এক-অদ্বিতীয়। আল্লাহ কারো মুখাপেক্ষী নন, সকলেই তাঁর মুখাপেক্ষী। আর তাঁর কোন সমকক্ষও নেই। তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং তাঁকেও জন্ম দেয়া হয়নি।” [সূরা আল-ইখলাস, আয়াত: ১, ৪]
আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ﴿فَلَا تَضۡرِبُواْ لِلَّهِ ٱلۡأَمۡثَالَۚ إِنَّ ٱللَّهَ يَعۡلَمُ وَأَنتُمۡ لَا تَعۡلَمُونَ ٧٤﴾ [ النحل : ٧٤ ] “সুতরাং তোমরা আল্লাহর জন্য অন্য কোন দৃষ্টান্ত স্থাপন করো না। নিশ্চয় আল্লাহ জানেন আর তোমরা জান না।” [সূরা আন-নাহাল, আয়াত: ৭৪] আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ﴿لَيۡسَ كَمِثۡلِهِۦ شَيۡءٞۖ وَهُوَ ٱلسَّمِيعُ ٱلۡبَصِيرُ ١١﴾ [ الشورى : ١١ ] “তাঁর মত কিছু নেই আর তিনি সর্বশ্রোতা ও সর্বদ্রষ্টা।” [সূরা আশ-শুরা, আয়াত: ১১] সাদৃশ্যবাদীরা এ কথা لَيۡسَ كَمِثۡلِهِۦ شَيۡءٞۖ “তাঁর মত কিছু নেই” এবং فَلَا تَضۡرِبُواْ لِلَّهِ ٱلۡأَمۡثَالَۚ إِنَّ ٱللَّهَ “সুতরাং তোমরা আল্লাহর জন্য অন্য কোন দৃষ্টান্ত স্থাপন করো না।” দ্বারা প্রতিহত করেন।
মু‘আত্তালাদের এ কথা قُلۡ هُوَ ٱللَّهُ أَحَدٌ “বল, তিনিই আল্লাহ, এক-অদ্বিতীয়।” দ্বারা জবাব দেন। আলেম হোক বা সাধারণ মানুষ হোক প্রত্যেক মুসলিমের ওপর ওয়াজিব হলো আল্লাহ তা‘আলা তার নিজের জন্য যা সাব্যস্ত করেছেন তা কোন প্রকার দৃষ্টান্ত ছাড়া পরিপূর্ণ সাব্যস্ত করা এবং তিনি তার জন্য যা না করেছেন, তা না করা। আর যে সব থেকে তিনি তাকে পবিত্র বলে ঘোষণা করেছেন তা কোন প্রকার অকার্যকর করা ছাড়া তার জন্য হুবহু সাব্যস্ত করা।
এটিই রাসূলের সাহাবী এবং তাদের অনুসারি আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের আকীদা। এ ছাড়াও উম্মতের পূর্বসূরী ইমামগণ, যেমন সাতজন ফকীহ, মালেক বিন আনাস, আওযাঈ, সূরী, শাফেঈ, আহমদ ইবন হাম্বল, আবু হানীফা এবং অন্যান্য ইমামদের বিশ্বাস। তারা বলেন, কোন প্রকার বিকৃতি, অকার্যকর করা, ধরণ প্রকৃতি বর্ণনা করা এবং দৃষ্টান্ত স্থাপন ছাড়া যেভাবে বর্ণনা এসেছে সেভাবে তা বহাল রাখা।
তবে প্রশ্নে বর্ণিত আলোভী ও তার সাথী মাহমুদ এ বিষয়ে যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন তা সঠিক নয়। কিন্তু এ হাদীসের দাবি হলো আল্লাহ তা‘আলা তাদের কল্যাণের প্রতি তাদের ছেয়ে অধিক দ্রুত এবং তাদের প্রতি দয়া ও রহমত করার দিকে তিনি অধিক অগ্রসরমান। কিন্তু এটি হাদীসের দাবি তবে এটি অর্থ নয়। অর্থ এক জিনিষ আর এটি আরেক জিনিষ। হাদীস দ্বারা বুঝা যায় যে, তিনি তাদের প্রতি খুব দ্রুত কিন্তু এটি হাদীসের অর্থ নয়। বরং অর্থ হলো আল্লাহর জন্য আল্লাহর মাখলুকের সাথে সাদৃশ্য বা তুলনা না করে তার শান অনুযায়ী নিকট হওয়া, হাঁটা ও দৌড়কে সাব্যস্ত করা। সুতরাং আল্লাহ তা‘আলার উদ্দেশ্য অনুযায়ী কোন প্রকার বিকৃতি, ধরণ প্রকৃতি এবং সাদৃশ্য বা তুলনা করা ছাড়া তার জন্য আমরা সিফাতগুলোকে সাব্যস্ত করব।
আর তাদের কথা সম্পূর্ণ ভুল। বিদআতীরা অসংখ্য বিষয়ে এ ধরনের কথা বলে থাকেন। তারা আল্লাহর সিফাত সম্পর্কে ব্যাখ্যা দেন। অথচ মুলনীতি হলো, আল্লাহর সিফাত সম্পর্কে কোন প্রকার ব্যাখ্যা না দেওয়া, ধরণ বর্ণনা না করা, তুলনা না করা এবং বিকৃতি না করা। সুতরাং সিফাত সম্বোলিত আয়াত ও হাদীসের ক্ষেত্রে যেভাবে বর্ণনা এসেছে তা বহাল রাখবে ব্যাখ্যা দেবে না। অর্থাৎ কোন প্রকার ধরণ বর্ণনা না করা, তুলনা না করা এবং বিকৃতি না করা। বরং তার অর্থ আল্লাহর জন্য তার শান অনুযায়ী সাব্যস্থ করা যেভাবে আল্লাহ তা‘আলা তার নিজের জন্য সাব্যস্ত করেছেন এবং সম্বোধন করেছেন। এ সব কোন কিছুতেই তিনি তার কোন মাখলুকের সদৃশ নয়। যেমন, আমরা আল্লাহর রাগ, হাত, চেহারা, আঙ্গুল, অপছন্দ, অবতরণ, উঠা ইত্যাদি সিফাত সম্পর্কে উল্লেখিত বিশ্বাস স্থাপন করে থাকি। অধ্যায়তো একই। আর মনে রাখবে সিফাতের অধ্যায় একই এ ক্ষেত্রে বিশ্বাসের কোন তারতম্য নেই। আল্লাহ তা‘আলাই তাওফীক দাতা।
শাইখ আব্দুল আযীয বিন বায।
সোশ্যাল মিডিয়ায় হাদিস শেয়ার করুন
Or Copy Link
https://hadith.one/bn/book/606/63
রিডিং সেটিংস
Bangla
English
Bangla
Indonesian
Urdu
System
System
Dark
Green
Teal
Purple
Brown
Sepia
আরবি ফন্ট নির্বাচন
Kfgq Hafs
Kfgq Hafs
Qalam
Scheherazade
Kaleel
Madani
Khayma
অনুবাদ ফন্ট নির্বাচন
Kalpurush
Kalpurush
Rajdip
Bensen
Ekushe
Alinur Nakkhatra
Dhakaiya
Saboj Charulota
Niladri Nur
22
17
সাধারণ সেটিংস
আরবি দেখান
অনুবাদ দেখান
রেফারেন্স দেখান
হাদিস পাশাপাশি দেখান
এই সদাকা জারিয়ায় অংশীদার হোন
মুসলিম উম্মাহর জন্য বিজ্ঞাপনমুক্ত মডার্ন ইসলামিক এপ্লিকেশন উপহার দিতে আমাদের সাহায্য করুন। আপনার এই দান সদাকায়ে জারিয়া হিসেবে আমল নামায় যুক্ত হবে ইন শা আল্লাহ।